আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনের আর বাকী ১২ দিন। নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণায় এগিয়ে দু’টি রাজনৈতিক দল। দল দু’টি হলে বিএনপি ও জামায়াত। এরা কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। মোড়ে মোড়ে চলছে নির্বাচনি সভা-সমাবেশ। জনগণের প্রত্যাশা পুরণে তারা দিচ্ছেন বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি। তবে নির্বাচনের দিন এগিয়ে আসলেও প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থক ছাড়া সাধারণ মানুষের মাঝে খুব একটা উৎসব নেই। বিশেষ করে এবারের নির্বাচনে প্রার্থীদের পোস্টার ব্যবহার না থাকা একটা বড় কারণ বলে অধিকাংশ ভোটাররা মনে করছেন। পোস্টার ছাড়া নির্বাচন একেবারেই নিরামিষ বলে মনে করছেন অনেকে। এমনকি গণভোট নিয়েও খুব একটা সচেতন নয় অনেকে।
সকাল হতেই দরজার কড়া নাড়তে থাকেন প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা। এক প্রার্থীর কর্মী বের হলেই প্রবেশ করছে অন্য প্রার্থীর কর্মীরা।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মিস্ত্রীপাড়া বাজারে দেখা মেলে খুলনা-২ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর। তিনি বাজারে উপস্থিত ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন। ভোট প্রদানে অনেকেই আশ্বস্ত করেন তাকে। এর কিছুক্ষণ পর দেখা মেলে একই আসনের অপর প্রার্থী জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলালের। তিনি একই কায়দায় ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন এবং সকলেই তাকে আশ্বস্ত করেন।
হোটলগুলোর বেশিরভাগ উপস্থিত মানুষের আলোচনা এখন নির্বাচন কেন্দ্রীক।
সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা ও টুটপাড়া এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন বলেন, “১৬ বছর ধরে বাংলাদেশে কোনো নির্বাচনি পরিবেশ দেখা যায়নি। মানুষ একটা পরাধীনতার জালে আবদ্ধ ছিল। গত কয়েকদিন ধরে এলাকায়-মহাল্লায় মাইকিং ও সভা সমাবেশ চলছে ব্যাপকভাবে। যারা দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গিকার করছে তাদের পক্ষে থাকবে সাধারণ মানুষ।
খুলনা গেজেট/এনএম



